বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

 


চুনা-ওঠা দেয়ালের মতো প্রকৃতির এই খসখসে গালে

আর কী রং মাখাবে চৈত্র,

তোমার পকেটে ভাঁজ-করা শতবর্ষের শীতকাল,

মাতাল হাওয়ায় যতই এই বার্ধক্য ঢেকে দিতে চাও

তার মুখমন্ডলে জমে আছে

উত্তর গোলাধের্র অনন্ত বরফ

তার শরীর ২৫ডিগ্রি মাইনাস শীত রাত্রে;


কেনা জ্যেত্স্না, গোলাপ আর সৌরভের জন্য

হাহাকার করে

আমি কতোকাল শিশুর মতো হামাগুড়ি দিয়ে

এই শীতকাল পেরুব? গুনগুন করা চৈত্রসন্ধ্যা

মধুর দুপুর

এখনো আমাকে হাতছানি দিয়ে ডাকে,

আমি সাড়া দেই না;

কেন দেব? আমার শীত কখন অস্ত যাবে,

কেউ জানে না।


হয়ত তবু সদ্যফোটা স্তনের গন্ধে, ঠোঁটের লাবণ্যে

জেগে উঠবে ঝিমিয়ে-পড়া দিনরাত্রি,

একুশ শতকের এই দীর্ঘ শীত পাড়ি দেওয়ার জন্য

আর কতো হিমযুগ পার হতে হবে আমাকে,

বসন্ত, তোমার হাতবাক্সে কি সেই উত্তর লেখা আছে?

চলো বসন্তের একটি বাংলা উদ্ধৃতি শোনাতে শোনাতে

আমরা পৃথিবীর সব নদী পার হই।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

বেতার বাংলা (আষাঢ়-শ্রাবণ ১৪৩১)

বেতার বাংলা (আষাঢ়-শ্রাবণ ১৪৩১)